খুলনা নগরীতে অতিরিক্ত মদপানে পাঁচ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাতে সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধীন বয়রা পূজাখোলা ইসলামিয়া কলেজ মোড়ে ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অপারেশন অফিসার এসআই আবদুল হাই। মৃত ব্যক্তিরা হলেন- বয়রা সেরের বাজার মোড়ের বাসিন্দা আব্দুর রবের ছেলে বাবু (৫০), বয়রা মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সামাদের ছেলে সাবু (৬০), বয়রা জংশন রোডের বাসিন্দা গৌতম কুমার বিশ্বাস (৪৭), আজিবর (৫৯) এবং তোতা (৬০)। মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছে। এছাড়া খালিশপুর দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা
সনুর আশঙ্কাজনক অবস্থা হওয়ায় তাকে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আবদুল হাই বলেন, ‘‘শনিবার দুপুরে তোতা মিয়ার দোকানে বসে ছয়জন একসঙ্গে মদপান করেন। বিষাক্ত মদপানে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন। সনু নামের একজনকে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।এ বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড সিপি) খোন্দকার হোসেন আহমদ বলেন, ‘‘বিষাক্ত মদপানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।এদিকে আজিবরের মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের স্বজনেরা দাবি করেছেন, মদপানে নয়; অসুস্থতাজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, হাতে বানানো মদ খেয়ে ওই ব্যক্তিদের মৃত্যু হয়েছে। ওই মদের উপাদান ছিল ভারত থেকে আমদানি নিষিদ্ধ এলকোলি নামে একটি মেডিসিন। এর সঙ্গে যুক্ত করা হতো চুনের পানি ও ঘুমের ট্যাবলেট; যা খেয়ে অনেকে সহ্য করতে না পেরে মৃত্যুবরণ করেন। ওই পাঁচজনের ক্ষেত্রে একই অবস্থা হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

