ঢাকাবুধবার , ২৮ মে ২০২৫
  1. অনুসন্ধান প্রতিবেদন
  2. আইন ও অপরাধ
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কৃষি ও অর্থনীতি
  6. খোঁজ-খবর
  7. জাতীয়
  8. জেলার খবর
  9. তথ্য প্রযুক্তি
  10. দুর্নীতি
  11. নগর ও মহানগর
  12. নির্বাচনীয় খবর
  13. পার্শ্ববর্তী দেশ
  14. ফিচার
  15. ফেসবুক থেকে
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হতে হবে: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

নিজস্ব সংবাদদাতা:
মে ২৮, ২০২৫ ৪:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন,ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে । বুধবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তারুণ্যের সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে, জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ একটি সরকার দ্রুত দেখতে চাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান- আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।তারেক রহমান বলেন, “মনে হচ্ছে- আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে এরই মধ্যে টালবাহানা শুরু হয়েছে। কথিত অল্প সংস্কার, আর বেশি সংস্কারের অভিনব শর্তের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে আগামী জাতীয় নির্বাচনের ভবিষ্যত। এরই ভেতরে জনগণ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে- সংস্কার নিয়ে সময় ক্ষেপণের আড়ালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভেতরে এবং বাইরে কারও কারও মনে কিছু ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, “অতীতে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেছে। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি- তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিন মাসের মধ্যেই সফলভাবে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে। সুতরাং অতীতে এই বাংলাদেশেই রেকর্ড রয়েছে- তিন মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা সম্ভব। কিন্তু আজ আমরা দেখছি- ১০ মাস পার হয়ে গেলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করছে না।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “গত দেড় দশকে ভোটার তালিকায় প্রায় সাড়ে তিন কোটি নতুন ভোটার সংযুক্ত হয়েছে। এই নতুন ভোটাররা আজ পর্যন্ত ভোট দিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার সুযোগ পায়নি। পতিত, পরাজিত, পলাতক স্বৈরাচারের কাছে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা কিংবা নির্বাচন কোনও গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না। সুতরাং সংস্কার ইস্যুর পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃশ্যমান ভূমিকা নেওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি।তারেক রহমান বলেন, “প্রিয় দেশবাসী,

ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হতে হবে: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন যাতে অনুষ্ঠিত হয় তার প্রস্তুতি নিতে শুরু করুন। কারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবে, কারা আপনাদের প্রতিনিধি হবে, জাতীয় নির্বাচনে আপনারাই ভোট দিয়ে আপনাদের সেই প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক বলেন, “পলাতক সৈরাচারের সময়ে আমরা দেখেছি তারা কীভাবে আদালতকে অবজ্ঞা করেছে। আদালতের রায়কে অবজ্ঞা করেছে। অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয়- পলাতক স্বৈরাচারের পরে যেই সরকারের কাছে দেশের মানুষ আশা করেছিল যে, আইনের প্রতি সম্মান থাকবে। আমরা দেখেছি- আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান না দেখিয়ে, যারা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করেছে, এখানেও সেই স্বৈরাচারের ঘটনার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে পাচ্ছি। তারেক রহমান বলেন, “আপনাদের কাছে আমার আজকের জিজ্ঞাসা- যারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখায় না, যারা আদালতের নির্দেশকে অবজ্ঞা করে, তাদের কাছ থেকে আমরা কতটুকু সংস্কার আশা করতে পারি।তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, “জনগণই বিএনপির ক্ষমতার মূল উৎস। ক্ষমতায় না থাকলেও বিএনপি জনগণের উন্নয়নের কথা সবসময় চিন্তা করে।তিনি বলেন, “বিএনপি নির্বাচিত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজ করবে। যেকোনও কর্মসূচি পালনের জন্য দরকার একটি নির্বাচনী সরকার। আর বিএনপি শুরু থেকেই এই নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে।তারেক রহমান বলেন, “আর কথা বলার রাজনীতি নয়, এখন বাস্তবায়ন ও দৃষ্টান্ত স্থাপনের সময়। দেশের বহুল জনসংখ্যাকে যদি জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারি তাহলে আমাদের আর পিছিয়ে থাকতে হবে না। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন,আমরা এই সরকারকে সমর্থন ও সাহস দিয়েছি। আশাকরি অতি দ্রুত মানুষের নির্বাচনের অধিকার ফিরিয়ে দেবে ।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ১০ মাস অতিক্রম করছে; আমরা দেখছি জনগণের অধিকারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ভোটের অধিকার। আর ভোট ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মতো এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার।খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা বারবার তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি কেন অতি দ্রুত নির্বাচন দরকার। কারণ, সরকার দেশে-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র করছে। নির্বাচনকে বিলম্বিত করার জন্য তারা ষড়যন্ত্র করছে। তা না হলে সংস্কার ও মামলার বিষয়টিকে নির্বাচনের সঙ্গে কেন যুক্ত করা হবে।তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী টোয়েন্টি-থার্টি ভিশন ঘোষণা করেছে এবং তারেক রহমান ১৯ দফা কর্মসূচি নিয়ে জনগণের কাছে তুলে ধরছেন। অর্থাৎ আমরা সংস্কার নিয়ে সব সময় চিন্তা করেছি। কিন্তু সব সংস্কার এককথায় করা যাবে না, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।