ঢাকাশনিবার , ১২ নভেম্বর ২০২২
  1. অনুসন্ধান প্রতিবেদন
  2. আইন ও অপরাধ
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কৃষি ও অর্থনীতি
  6. খোঁজ-খবর
  7. জাতীয়
  8. জেলার খবর
  9. তথ্য প্রযুক্তি
  10. দুর্নীতি
  11. নগর ও মহানগর
  12. নির্বাচনীয় খবর
  13. পার্শ্ববর্তী দেশ
  14. ফিচার
  15. ফেসবুক থেকে
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রংপুরে চারা বিতরণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

রংপুর প্রতিনিধি :
নভেম্বর ১২, ২০২২ ৭:০৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চলতি বছরের ২৬ ও ২৭ জুন রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে ‘অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রশিক্ষণে ৩০ জন অংশগ্রহণকারীর জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ৮১ হাজার টাকা। এরমধ্যে অংশগ্রহণ প্রশিক্ষণার্থীদের প্রত্যেককে সম্মানী বাবদ একহাজার টাকা করে দেয়া হলে গাছের চারা দেয়া হয়নি। চারার জন্য বরাদ্দের টাকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম ভোগ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু শরিফুল বলছেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন। চারা বিতরণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেয়া প্রত্যেকের জন্য ৫০০ টাকার বারি আম, বারি মালটা, লিচু ও পেয়ারা গাছের চারা বিতরণের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। চারা বিতরণ না করে সে অর্থ ভোগ করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম। শুধু তাই নয়, প্রশিক্ষণার্থীদের নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করার অভিযোগও উঠেছে। গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মারুফা, নোহালী ইউনিয়নের ফারহানা, বেতগাড়ী ইউনিয়নের শিমু আক্তার এবং মনেয়া ইউনিয়নের আব্দুল লতিফসহ প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া অনেকেই জানান, দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের জন্য ৮১ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও তারা শুধু সম্মানী বাবদ এক হাজার করে টাকা পেয়েছেন। গাছের চারা দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়নি। দুই দিনের ওই প্রশিক্ষণে যে খাবার দেয়া হয়, সেটাও ছিল নিম্নমানের। গাছের চারা বিতরণ না করে পুরো টাকাই আত্মসাৎ করা হয়েছে অভিযোগ তুলে ক্ষুব্ধ প্রশিক্ষণার্থীরা বলেন, সরকার যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায়, তা এমন অসৎ কর্মকর্তাদের কারণে ভেস্তে যায়। এসব অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ওই সময় চারা বিতরণ করিনি এটা সত্যি। কিন্তু চারা গাছগুলো বড় হওয়ার পর সেগুলো বিতরণ করেছি। যেহেতু এটি একটি প্রক্রিয়া, তাই অংশগ্রহণকারীদের হতাশ হবার কিছু নেই। নিম্নমানের খাবার পরিবেশন ও প্রশিক্ষণার্থীদের বরাদ্দের টাকা তাদেরকে বুঝিয়ে না দেয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।