ঢাকাশুক্রবার , ১১ জুলাই ২০২৫
  1. অনুসন্ধান প্রতিবেদন
  2. আইন ও অপরাধ
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কৃষি ও অর্থনীতি
  6. খোঁজ-খবর
  7. জাতীয়
  8. জেলার খবর
  9. তথ্য প্রযুক্তি
  10. দুর্নীতি
  11. নগর ও মহানগর
  12. নির্বাচনীয় খবর
  13. পার্শ্ববর্তী দেশ
  14. ফিচার
  15. ফেসবুক থেকে
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১১ জুলাই ‘প্রথম প্রতিরোধ দিবস’: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব সংবাদদাতা:
জুলাই ১১, ২০২৫ ১:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রথম প্রতিরোধ দিবস—১১ জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১১ জুলাইকে ‘প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণ দিয়েছেন।২০২৪ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ দিনটিকে ‘জুলাই আন্দোলনের প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ ঘোষণা করেছেন তিনি।শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রথম প্রতিরোধ দিবস-১১ জুলাই’ শীর্ষক স্মৃতির মিনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী।প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ১১ জুলাই যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তা সারাদেশের আন্দোলনকারীদের সাহস যুগিয়েছিল। আজকের এই দিনে (১১ জুলাই) আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেয় স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার। সেই সহিংসতার সূচনা হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই। বিকেল তিনটার দিকে শাহবাগে আমাদের কর্মসূচি ছিল এবং একই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি চলছিল। আমরা যখন শাহবাগে জড়ো হতে শুরু করি, তখনই খবর আসে-কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা হয়েছে। এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং কেউ বিচলিত না হয়ে বরং আরও ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে। সারাদেশের আরও বেশি মানুষ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হতে থাকে।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা সেদিন শুধু ব্লকেড কর্মসূচি সফল করেননি, রাত ১১টা পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছিলেন। আপনাদের সেই সাহসিকতা ও প্রতিরোধ কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে নতুন আশা ও সাহস সৃষ্টি করেছিল। আমরা যে বলতাম-‘বাঁধা দিলে বাধবে লড়াই’, আপনারাই তার প্রমাণ দিয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় আন্দোলন আরও বেগবান হয় এবং স্বৈরাচারী হাসিনার শাসন থেকে বাংলাদেশের মানুষ মুক্তি পায়।তিনি বলেন, ‘আজকের এই দিনকে (১১ জুলাই) আমি ‘প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করছি। আপনাদের এই প্রতিরোধ চিরস্মরণীয় করে রাখতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ‘স্মৃতির মিনার’ স্থাপন করা হচ্ছে, তাকে আমি সাধুবাদ জানাই। পাশাপাশি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সেই স্থানে, যেখানে আপনারা ব্লকেড করে বিজয় অর্জন করেছিলেন, সেখানেও সরকারের পক্ষ থেকে ‘প্রতিরোধ মিনার’ স্থাপন করা হবে যাতে বাংলাদেশের মানুষ এবং মহাসড়কে চলাচলকারী পথচারীরা এ আন্দোলনকে সবসময় স্মরণ রাখতে পারে। এটি আমাদের পক্ষ থেকে ছোট্ট একটি প্রয়াস।তিনি আরো জানান, জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি বাস উপহার দেওয়া হবে।এই অনুষ্ঠানেই তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই মিনার’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।উল্লেখ্য, গত বছর ১১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নিলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনসার ক্যাম্প মোড়ে শিক্ষার্থীদের পথরোধ করে তৎকালীন সরকারের মদদপুষ্ট পুলিশ বাহিনী। শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যেতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের উপস্থিতিতেই তাদের ওপর নিক্ষেপ করা হয় কাঁদানে গ্যাস, চালানো হয় লাঠিচার্জ। ঘন্টাখানেক চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সংঘর্ষ। এক পর্যায়ে আবাসিক হল থেকে নারী শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে এলে নিরাপত্তা বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত অবরুদ্ধ থাকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।