ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩ জুলাই ২০২৫
  1. অনুসন্ধান প্রতিবেদন
  2. আইন ও অপরাধ
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কৃষি ও অর্থনীতি
  6. খোঁজ-খবর
  7. জাতীয়
  8. জেলার খবর
  9. তথ্য প্রযুক্তি
  10. দুর্নীতি
  11. নগর ও মহানগর
  12. নির্বাচনীয় খবর
  13. পার্শ্ববর্তী দেশ
  14. ফিচার
  15. ফেসবুক থেকে
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা আইনের আওতায় আনার পক্ষে রাজনৈতিক দলগুলো

ডেস্ক রিপোর্ট :
জুলাই ৩, ২০২৫ ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সংবিধানের ৪৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা আইন ও নীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে একমত হয়েছে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। এই ক্ষমতা প্রয়োগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মতামত গ্রহণের বিষয়েও ইতিবাচক মত দিয়েছে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার নবম দিনের সংলাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ অন্যান্য দল রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়া উচিত বলে মত দেয়। সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা বলেন, রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এবং সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরাতে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের মতো গুরুতর বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট আইন থাকা জরুরি। বিচার বিভাগ বিকেন্দ্রীকরণের প্রস্তাবে সংবিধান ও বিচার বিভাগ সংস্কার দুইটি কমিশনই সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংস্কার চেয়েছেন। মূলত প্রতিটি বিভাগে হাইকোর্ট বেঞ্চ স্থাপনের প্রস্তাব আছে বিকেন্দ্রীকরণের আলোচনায়। তবে সুপ্রিম কোর্ট থাকবে। এর আগে সূচনা বক্তব্যে কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেন, ‘রাষ্ট্র গঠনের যে বিরল সুযোগ তৈরি হয়েছে তা যেন হেলায় হারানো না হয়। যে সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো আজ একসঙ্গে আলোচনায় বসতে পেরেছে, সেই দিনগুলো স্মরণে রাখা প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, ‘৫৩ বছরে রাষ্ট্র গঠনের এমন সুযোগ আর আসেনি। আমরা এই আলোচনার মাধ্যমে একটি জাতীয় সনদের দিকে এগোচ্ছি, যা চলতি জুলাই মাসেই চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছি।বৈঠকে মৌলিক সংস্কারের ২০টি প্রস্তাবের মধ্যে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, বিচারবিভাগ বিকেন্দ্রীকরণ এবং জরুরি অবস্থা জারির মতো গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয়ে আজ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে বলে জানান আলী রীয়াজ।কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখন পর্যন্ত যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়নি, সেগুলো নিয়েও আবার আলোচনার সুযোগ থাকবে। চূড়ান্ত সনদ তৈরির আগে সব পক্ষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। রিট আবেদনকারী আইনজীবীর ভাষ্য, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি সাজাপ্রাপ্ত কাউকে ক্ষমা করতে পারেন। এই ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে অনেক সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্ষমা পেয়েছেন, এর বেশির ভাগ হত্যা মামলার আসামি। ক্ষমা করার এই ক্ষমতা প্রয়োগে কোনো নীতিমালা নেই। অর্থাৎ কিসের ভিত্তিতে ও কোন কোন দিক বিবেচনায় ক্ষমা করা হয়—এ–সংক্রান্ত কোনো নীতিমালা নেই। এ ছাড়া বিভিন্ন ঘটনাদৃষ্টে সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অপব্যবহার হয়, যেখানে রাজনৈতিক আদর্শ বিবেচনায় দণ্ডিতকে ক্ষমা করতেও দেখা যায়। যা সংবিধানের ৭, ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সে জন্য ক্ষমা করার এই ক্ষমতা প্রয়োগে নীতিমালা প্রণয়ন আবশ্যক। তাই জনস্বার্থে রিট করা হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।