গাজীপুর জেলার টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে কুয়াশা ও কনকনে শীত উপেক্ষা করে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে লাখ লাখ মুসল্লি ইজতেমা ময়দান জড়ো হয়েছেন। গত শুক্রবারের ফজরের পর বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয় প্রথম । রবিবার সকাল দশটায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইলের সুরাসদস্য কারি মোহাম্মদ জোবায়ের। আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে আসতে থাকেন। মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে করোনা মহামারির সময় পেরিয়ে একত্রে আবারও সমবেত হতে পেরে সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন বারবার। সকল বৈষম্য ও ভেদাভেদ ভুলে এক আল্লাহর বান্দা ও রাসুলের (সা.) উম্মত হিসেবে প্রার্থনার হাত বাড়িয়ে দেন। নবিওয়ালা জিন্দেগি গড়ে তুলতে দাওয়াতে তাবলিগের দীক্ষা নিতেই হাজির হয়েছেন এই সম্মেলনে। তারা বিশ্বকে জানাতে চান এটাই যে ইসলামের মাহাত্ম্য। রোববার ফজর নামাজের পর থেকে শুরু হয় তৃতীয় দিনের বয়ান। বয়ান শুরু করেন ভারত থেকে আগত মাওলানা আবদুর রহমান। এরপর শুরু হয় হেদায়েতি বয়ান। হেদায়েতি বয়ানের পর শুরু হয় ২০ মিনিটের আখেরি মোনাজাত। এদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী, চেরাগ আলী, টঙ্গী-কালীগঞ্জ সড়কের আমতলী কেরানিরটেক, টঙ্গী-কামারপাড়া রোডসহ চারপাশের অলিগলি, বহুতল ভবন, ভবনের ছাদ, ময়দানের চারপাশে হুগলা-পাটি বিছিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। ইতোমধ্যে ময়দানের চারপাশে নির্মিত বহুতল টয়লেটগুলোতে আগে থেকেই মুসল্লিরা অবস্থান নিয়ে মোনাজাতে অংশ নেন। চার দিন বিরতি দিয়ে ২০ জানুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় পক্ষের (সা’দ অনুসারী) বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন।

