ঢাকারবিবার , ২ আগস্ট ২০২৬
  1. অনুসন্ধান প্রতিবেদন
  2. আইন ও অপরাধ
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কৃষি ও অর্থনীতি
  6. খোঁজ-খবর
  7. জাতীয়
  8. জেলার খবর
  9. তথ্য প্রযুক্তি
  10. দুর্নীতি
  11. নগর ও মহানগর
  12. নির্বাচনীয় খবর
  13. পার্শ্ববর্তী দেশ
  14. ফিচার
  15. ফেসবুক থেকে
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আশুলিয়ায় গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্ত হয়ে বাদী ও সাংবাদিকদের হুমকি

বিশেষ প্রতিনিধি :
আগস্ট ২, ২০২৬ ৩:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার আশুলিয়ার নবীনগরের নিরিবিলি এলাকার বাঁশতলা ফকির বাড়ি মোড় (প্রফেসর বাড়ি) এলাকায় দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এসকে শফিকুল ইসলাম (শুভ) জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আবারও মামলার বাদী ও সংবাদকর্মীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক অভিযোগ সামনে আসায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে, পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ৩০ জুলাই রাতে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসকে শফিক একটি চাইনিজ কুড়াল ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে উপস্থিত ব্যক্তিদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় এলাকাবাসী তাকে ঘিরে রাখেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা চান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আশুলিয়া থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করেও দ্রুত সাড়া না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি হকিস্টিকসহ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসকে শফিক নিজেকে “স্পেশাল ক্রাইম রিপোর্টার ৬৪ জেলা” এবং গণঅধিকার পরিষদের একজন নেতা হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবিও করেন। তবে সাংবাদিকরা তার পরিচয় ও ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন এবং তাদের প্রতিও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর এলাকাবাসীর একটি বড় প্রশ্ন—যদি ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়ে থাকে, তবে সেগুলো জব্দ করা হয়নি কেন এবং অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হলো না কেন? তাদের দাবি, শুরুতেই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরবর্তী সময়ে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হতো না।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, এসকে শফিক দাবি করেছেন যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য তিনি এসব দেশীয় অস্ত্র রেখেছিলেন। পরে অন্য একটি ঘটনায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮ ও ৫০৬ ধারায় দায়ের করা মামলা (নং-১২৬, তারিখ: ৩১ জুলাই ২০২৬)-এ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
তবে অভিযোগকারীদের দাবি, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর এসকে শফিক পুনরায় মামলার বাদী ও ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। এছাড়া তিনি জাতীয় দৈনিক মাতৃ জগৎ পত্রিকা সম্পাদক ও সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি কে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এ বিষয়ে সাংবাদিক সমাজের মধ্যে চরম কবের এর সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় সাংবাদিকদেরও তিনি অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং দেখে নেয়ার হুমকি দেন।এ অভিযোগের কারণে এলাকায় নতুন করে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় জনমনে আইনের প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন হতে পারে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের দাবি, পুরো বিষয়টি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। একই সঙ্গে হুমকির অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
অনুসন্ধান প্রতিবেদন সর্বশেষ