প্রতিবারের মতো এবারও ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে চুয়াডাঙ্গার কৃষকরা। অতিরিক্ত টাকা খরচেও সময় মত মিলছে ধান কাটা শ্রমিক।বিয়ার-১১ ধান চাষে শ্রমিক সময় মত না মিললেও ভয় থাকে না আকাশের বৃষ্টিতে। এই মৌসুমে ঝড় বৃষ্টি না থাকায় তেমন ক্ষতিগ্রস্থের সম্মুখীন হতে হয় না কৃষকের। তবে এটা আমাদের এক বছরের খাবার যত তাড়াতাড়ি এই খাদ্যে শস্য ঘরে মজুত করা যায়। এবার মাঠে ১০ /১২ প্রকার দেশী ও হাইব্রিড ফলন বেশি পাওয়ার আশায় এ জাত গুলা প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়।জানা গেছে চুয়াডাঙ্গা জেলায় আবাদি জমির পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার ২৬ হেক্টর। বর্তমানে কলকারখানা, দোকান ঘর, ঘরবাড়ি, ইট ভাটা গড়ে উঠাই আবাদি জমির পরিমাণ কমে ৬৫ হাজার হেক্টর। বর্তমানে প্রতি বছর ৮০ হেক্টর করে কমতে আছে। জেলায় ভাটা চলা অবস্থায় প্রায় জমি দখল করে থাকে। তাতে খাদ্য শস্যর কিছুটা ঘাটতি দেখা যায়। আর সেই ঘাটতি পূরণে বেশি ফলনশীল পেতে দেশী হাইব্রিড ধান চাষের গুরুত্ব অনেক বেশি।

