ঢাকাসোমবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  1. অনুসন্ধান প্রতিবেদন
  2. আইন ও অপরাধ
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কৃষি ও অর্থনীতি
  6. খোঁজ-খবর
  7. জাতীয়
  8. জেলার খবর
  9. তথ্য প্রযুক্তি
  10. দুর্নীতি
  11. নগর ও মহানগর
  12. নির্বাচনীয় খবর
  13. পার্শ্ববর্তী দেশ
  14. ফিচার
  15. ফেসবুক থেকে
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশেষ প্রতিনিধি :
অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ৪:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ধর্মীয় সম্প্রীতি, নাগরিকের সমান অধিকার ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও দেশের সব নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা সমান। দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
সোমবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের একক রাষ্ট্র নয়; এটি সব নাগরিকের দেশ। প্রত্যেকের যেমন রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি রাষ্ট্রেরও সবার নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব রয়েছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে নাগরিকদের একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রথম পরিচয় তারা এ দেশের নাগরিক। ধর্মীয় পরিচয়ের পার্থক্য যেন মানুষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি না করে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। দেশের অগ্রগতি ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিভেদ নয়, ঐক্যকে প্রাধান্য দিতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন। সেদিন মানুষের প্রধান লক্ষ্য ছিল দেশের স্বাধীনতা অর্জন। একইভাবে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।
তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ওই আন্দোলনেও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ অংশ নিয়েছেন এবং অনেকে আত্মত্যাগ করেছেন। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ধর্মীয় পরিচয় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও ইতিবাচক পরিবর্তনের সুফল সব নাগরিকের কাছে পৌঁছাতে হলে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। একজন মানুষ বিপদে পড়লে তার ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে তার মানবিক পরিচয়ই বড় হয়ে ওঠে। তাই নাগরিক হিসেবে একে অপরের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বক্তব্য দেন বলে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক জানান।
শারদীয় দুর্গাপূজাকে আনন্দ, সম্প্রীতি ও মিলনের উপলক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দেশের সব সনাতন ধর্মাবলম্বীর প্রতি শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।