বুধবার, একদিকে যখন হানা দিয়ে মধ্যমগ্রামের হোটেল থেকে পচা মাংস উদ্ধার করলেন, ঠিক অন্যদিকে বিধাননগর পৌরনিগম ও খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক এবং ইবি অভিযান চালান কেক পেস্টির দোকানে, বিধান নগর দক্ষিণ থানা এলাকায়।
ভেতরে ঢুকে তারা বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী পরীক্ষা করতে থাকেন।
খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর এর আধিকারিক ও ইবি বিভিন্ন হোটেলে অভিযান চালান এবং সেখান থেকে বিভিন্ন রকমের পঁচা খাদ্য সামগ্রী উদ্ধার করেন। এবং পচা মাংস, শুধু তাই নয় সেই সকল হোটেলের লাইসেন্স বাতিল করেন। এবং জানিয়ে দেন যদি সংযম না হয় তাহলে করা ব্যবস্থা নেবেন।
পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানান, বাতাস ও বিভিন্ন জেলায় প্রচুর বেআইনি হোটেল গজিয়ে উঠেছে, আমাদের সরকার আসতে আসতে সেগুলি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করছেন, যে হোটেলগুলি আগের সরকারের আমলে তৈরি হয়েছিল, তাহারা কোন কিছুই দেখতেন না, আমাদের সরকার চেষ্টা করছেন, পথে নিয়ে যাওয়ার। নইলে পঁচা জিনিস খেয়ে বহু সাধারণ মানুষের বিপত্তি ঘটতে পারে। বহুদিন ধরেই এই অস্বাস্থ্যকর পচা মাংস মানুষকে খাইয়ে চলেছেন নামি বেনামী হোটেলগুলি।
তবে আমাদের প্রশাসনের তরফ থেকে অভিযান শুরু হয়েছে, এখানে গ্রাহকদের থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই অভিযান চলছে। অনেক বেয়াইনি ভাবে সরকারি জায়গায় হোটেলও হয়েছে, কোন বিধি মানা হয়নি বেশিরভাগ হোটেল রাস্তার ধারে, সেখানে পরিছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না, যদি এগুলি না মানেন সেগুলিকে বন্ধ করে দিতে হবে, যারা নিজেদের জায়গায় হোটেল করেছেন প্রয়োজনে অনুমতি লাইসেন্স নিতে হবে। তবেই সেই হোটেল চালাতে পারবেন। যারা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন তাদের সতর্ক থাকা উচিত, নিয়ম-কানুন মানা উচিত।
এর সাথে সাথে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে কেন্দ্র থেকে আসছে পেঁয়াজ, ৩৫ টাকা কিলো দরে ন্যায্য মূল্যে দোকানে মিলবে, কেন্দ্রীয় সংস্থা না পেডের তরফ থেকে আমাদের এখানে পেঁয়াজ দেওয়া শুরু হয়ে গেছে, পয়ত্রিশ টাকা কিলো দু কিলোর প্যাকেট ৭০ টাকায়, আমিও উদ্বোধন করেছি। নাসিকে যখন পিয়াজ উৎপাদন হয় তখন এই সংস্থা পেঁয়াজ কিনে রাখে। এখন পশ্চিমবাংলায় যখন পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে , তখন নাসিক থেকে ওই সংস্থার গাড়ি আসছে এবং বিভিন্ন জেলাতে সেই পেঁয়াজ পাঠানো শুরু হয়েছে।
আমাদের সরকার, সমস্ত দিকে নজর এবং নজরদারি রাখছেন, অন্যায়ের মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন, বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো শুরু হয়েছে, তাই সকলকে সতর্কবার্তা দিতে চাই, বেআইনি ভাবি কিছু করবেন না, সাধারণ মানুষের জীবন হানি হতে পারে, যদি আইন মেনে না কাজ করেন, প্রশাসনিক ভাবে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

