মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালের আগে বড় এক ধাক্কা খেল ফ্রান্স। রাউন্ড অব সিক্সটিনে পাওয়া মাইকেল ওলিসের হলুদ কার্ড বাতিলের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।প্যারাগুয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডার মাতিয়াস গ্যালারজার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন বায়ার্ন মিউনিখের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। ঘটনাটির রিপ্লেতে দেখা যায়, ওলিস মূলত গ্যালারজার জার্সি টেনে ধরলেও তিনি মুখে আঘাত পাওয়ার ভঙ্গিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সেই ঘটনার জেরেই উজবেকিস্তানের রেফারি ইলগিজ তানতাশেভ ওলিসকে সতর্ক করেন।ফরাসি ক্রীড়া দৈনিক লেকিপ-এর তথ্য অনুযায়ী, সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়ে ফিফার কাছে আবেদন করেছিল ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশন। তবে সেই আবেদন গ্রহণ করেনি ফিফা।ফ্রান্সের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশম ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আজ (বুধবার) সকালে আমরা ফিফার সিদ্ধান্ত পেয়েছি। ওলিসের ব্যাপারে আগের সিদ্ধান্তই বহাল রাখা হয়েছে।ফিফার এই সিদ্ধান্তে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে ওলিসকে। কারণ, কোয়ার্টার-ফাইনালে তিনি আরেকটি হলুদ কার্ড দেখলে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়বেন। সেক্ষেত্রে ফ্রান্স সেমিফাইনালে উঠতে পারলেও সম্ভাব্য স্পেন বা বেলজিয়ামের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে পাওয়া যাবে না।এ কারণে মরক্কোর বিপক্ষে লড়াইয়ের আগে শুধু জয় নয়, ওলিসকে অপ্রয়োজনীয় কার্ড থেকে দূরে রাখাও এখন ফ্রান্সের কোচিং স্টাফের অন্যতম বড় ভাবনার বিষয়।ফিফার এই অনমনীয় অবস্থান ফুটবল বিশ্বে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যার মূল কারণ মার্কিন স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানের সাম্প্রতিক ঘটনা। কিছুদিন আগেই বালোগানের লাল কার্ডের শাস্তি মকুব করেছিল ফিফা। জানা যায়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খোদ ফিফা প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ফোন করে বালোগানের পক্ষে সওয়াল করার পরেই তাঁর নির্বাসন তুলে নেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্পের কথায় আমেরিকার জন্য নিয়ম শিথিল করা হলেও, কোয়ার্টার ফাইনালের আগে ফ্রান্সের করা কোনো অনুরোধই রাখল না বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা।

