বাগেরহাটে পৌরকাউন্সিলর মো: মনিরুজ্জামানের হুমকি ও ভুমিদস্যুতা থেকে রেহাই পেতেসংবাদ সম্মেলনকরেছেমিনু বেগম। শুক্রবার (৩মার্চ) সকালেবাগেরহাট প্রেসক্লাবেআহুতসংবাদ সম্মেলনেলিখিত বক্তব্যে মিনু বেগমবলেন, বাগেরহাট পৌরসভার ২ নংওয়ার্ডেরহরিণখানা মৌজায়এসএ ২৫৯ বিআরএস ২০০ নংখতিয়ানেএসএ ২৮৯ বিআরএস ১৩০৬ নং দাগে পৈত্রিকসূত্রে ০.২৯৫০ একরজমিরমধ্যে আমাদের বসতবাড়িযাহাআমারপূর্বপুরুষ থেকে বসবাসকরেআসছি। ওই মালিকানাজমিআমারবড় বোনমৃত রেনু বেগমেরপ্রাপ্ত অংশ ০.০২০০ একরজমি ও অন্য ওয়ারেশদের নিকটহইতে ০.০৬০০ একরজমি মোট ০.০৮০০ একরজমিআমারপিতা রেখেযাওয়ায়বসবাসকরছি। আমারবড় বোন পৈত্রিক ও খরিদকৃত মোট ০.০৫০০ জমিরউপরবসত ঘর বেধেবসবারকরেআসছে। ওই দাগেআমারআরেকবড় বোন রেনু বেগমের মেয়েশাকেরা বেগমেরনিকট থেকে ০.০২৬০ একরজমি মনিরুজ্জামান ক্রয় করিয়াছে। এরপর থেকে কাউন্সিলরমনিআমারমৃতবড় বোনরিজিয়ার ভোগ দখলিয়বসতবাড়িরমধ্য থেকে ক্রয়কৃত ০.০২৬০ শতাংশজমি দাবিকরে। এর এক পর্যায়ে উক্ত মনিকাউন্সিলর গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েরিজিয়া বেগমের ভোগদখলীয় অংশ থেকে তারজমি দাবী করেহুমকিপ্রদানকরে। এর এক পর্যায়ে মনিরুজ্জামন ও তার সাথে থাকা লোকজনআমার বোনকেধাওয়াকরে। এসমআমার বোনরিজিয়াতাদের ভয়েপালিয়ে যেতেবাড়িরসামনেরপাকারাস্তায়আসলে মনিরুজ্জামানের লোকজনেরমটরসাইকেলেরধাক্কায়রাস্তায়পড়েগিয়েমাথায়আঘাতপ্রাপ্তহয়। এসময়আমরা খবর পেয়েঘটনাস্থলে আসলেমনি ও তার লোকজনপালিয়েযায়। এরপরআমরা বোনকেউদ্ধারকরেবাগেরহাটসদরহাসপাতালেনিয়েভর্তি করলে ওই রাতেই সে মারাযায়। এরপরআমরামৃত বোনকে পোস্টমর্টেমকরাতেচাইলে মনিরুজ্জামানের করাতে ব্যর্থ হই। এরপরআমরাঘটনাস্থলে গিয়ে মনিরুজ্জামানের ছেলে নিশাত পাইকেরমটরসাইকেলেরধাক্কায়আমার বোনেরমৃতহয়েছেবলেজানতেপারি। এমতাবস্থায়আমরান্যয়বিচারেরআশায়আদালতেমামলা দায়েরকরি। যাবর্তমানেসিআইডিতদন্তাধীনরছেছে। এরপর থেকে মনিরুজ্জান ও তার লোকজনআমাদের ভয়ভীতি ও নানাভাবেহুমকিদিয়েআসছে। সংবাদ সম্মেলনেমিনু বেগমের সাথে তারভাইবাবুল শেখউপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পৌরকাউন্সিলর মরিুজ্জামান জানান, যে জমিনিয়েমিনু বেগমঅভিযোগ দিয়েছে। তাআমি ক্রয় করেরিজিয়া বেগমেরঘরেরপাশদিয়ে ভোগ দখলকরেআসছি। তাই ওই জমি দখলকরতেযাওয়ার কোনকারন নেই। সুতরাং এ ঘটনাটিসম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট। হয়রানী ও আমারভাবমুর্তী ক্ষুন্নকরতেপ্রতিপক্ষের সাথে যোগসাজসেমিনু বেগমএসবভিত্তীহীনঅভিযোগ দায়েরকরেছে।
বাগেরহাট

