ঢাকাশনিবার , ৮ জুলাই ২০২৩
  1. অনুসন্ধান প্রতিবেদন
  2. আইন ও অপরাধ
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কৃষি ও অর্থনীতি
  6. খোঁজ-খবর
  7. জাতীয়
  8. জেলার খবর
  9. তথ্য প্রযুক্তি
  10. দুর্নীতি
  11. নগর ও মহানগর
  12. নির্বাচনীয় খবর
  13. পার্শ্ববর্তী দেশ
  14. ফিচার
  15. ফেসবুক থেকে
আজকের সর্বশেষ সবখবর

একটি দূর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না : একটি পরিবার সর্বশান্ত, আর্জিনার আর্ত্মনাদ থামছেই না

শেখ আব্দুস সালামঃ
জুলাই ৮, ২০২৩ ৪:০১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঈদুল আযহার প্রস্তুতি নিয়ে সুদুর চট্রগ্রাম থেকে পরিবার পরিজনকে নিয়ে বন্ধুবর আব্দুল আজিজ পাইকগাছার হরিঢালী গ্রামে হাজির। ব্যবসায়ী সুত্রে অনেক দিন চট্রগ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আজিজ।কোরবানীর পশু কেনা, লোককুটুম নিমন্ত্রণ সব কিছু শেষ করেছেন তিনি। ঈদ শেষ হলেও কোরবানী ঈদ যেন আনন্দ উৎসব চলছে সপ্তাহ ব্যাপি। সেটাই হয়ে থাকে মুসলিম পরিবারগুলিতে। আব্দুল আজিজ সদ্য এলাকায় প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী হিসাবে অল্প বয়সে সুনাম অর্জন করেছেন। সহজ সরল বলতে যা বুঝাই তার মধ্যে তিনি একজন। ঈদ পরবর্তীতে তিনি আগড়ঘাটা বাজারে সেলুন দোকানে যাবেন, কোরবানী করবেন বলে চুলদাড়ি কাটা হয়নি তার। একমাত্র ছেলে সজিব দারুন পড়াশুনা করে থাকে। সে এত ভাল মেধাবী ছাত্র যে ১০ ক্লাস পর্যন্ত তার কাছ থেকে কেহ ১ নাম্বারটা কেড়ে নিতে পারেনি। বছর দু’য়েক আগে তার পিতামাতার অনুরোধে কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দিরে খন্ডকালীন ভর্তি হয়। দুর গ্রাম হরিঢালী হতে প্রাইভেট পড়া ঝামেলা বলে পুনরায় চট্রগ্রাম স্কুলে ফিরে যায় সজীব পরিবার। কোরবানী ঈদ শেষ রবিবার সকাল ৯ টায় চুলদাড়ি কাটতে আজিজ রওনা দিবেন বলে মটর বাইকের উপর বসেছেন। হঠাৎ ছেলে সজীব (১৫)আব্বু বলে চিৎকার করে দাঁড়াতে বলে পিতা আজিজকে। সজীব বলে আব্বু ঈদ উপলক্ষে রাস্তায় চাপ খুব সাবধানে আগড়ঘাটা বাজারে যাবেন। এই বলে সজীব তার নানীকে নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে মামার বাড়ি তালার নলতায় যাবে। সজীবের নানী সদ্য পবিত্র ভুমি মক্কা হতে উমরা হজ্জ পালন করে এসেছেন। উনি (শাহিদা বেগম ৬০) পর্দায় চলাচল করেন সব সময়। সজীবকে নিয়ে ভ্যান যোগে পাইকগাছার সিমান্ত কাশিমনগর পার হলে পিতাকে সাবধানে যেতে বলে ২৫ মিনিট পৃর্বে বিদায় নেওয়া পুত্র সজীব ও সজীবের নানী দূর্ঘটনার কবলে। তাদেরকে বহন করা মটর ভ্যান ওভারটেকিং করতে গিয়ে মিনিবাসের ধাক্কায় গাড়ীর নিচে। মূহুর্তে (সকাল১০ টায়) নানীর জীবন প্রদ্বীপ নিভে যায়। পরবর্তীতে রাস্তায় ছিটকে পড়া সজীব সাতক্ষীরা হাসপাতালে সকল চেস্টা ব্যার্থ করে চীর বিদায় নেয়। ভ্যান চালকের কোন শোক তাপ নেই, ভাগ্যের উপর দোষারোপ করে এ যাত্রা রক্ষা পেতে চায় সে। অথচ ভুলটা সেই ভ্যান চালকই করেছে বেশী বলে প্রতাক্ষদর্শীরা জানান। আর্জিনা আজিজ দম্পত্তির কান্নার আওয়াজ যেন দিনকে দিন ভারী হচ্ছে। কারণ আর্জিনা মা ও একমাত্র ছেলে সজীব একসাথেই মৃত্যুর পিয়ালা পান করেছে সড়ক দুর্ঘটনায়। একদিনে দু’জনকে হারানো আর্ত্মনাদ আর্জিনাকে পাগল করেছে,স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে না আর কখনো সে। পুত্র সজীব ও মা জাহেদা এখন শুধু স্নৃতি, ছবি বুকে জড়িয়ে ধরে প্রলাপ বকছে। আজিজ নির্বাক, সব শেষ……….। কোন পরিচিতজনরা বাড়ীতে গিয়ে শান্তনা দিতে না পেরে সামাজিক যোগাযোগ বেঁচে নিয়েছেন। প্রত্যেককে মরতে হবে কিন্তু পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ কতটা ভারী তা অনুভব করেছেন আব্দুল আজিজ। দোয়া করি আর কোন পরিবার যেন এমনি ভাবে শোক সাগরে না ভাসে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।