সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ থাকলে অনেক সমস্যা দূর হয়ে যায় এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় বলেছেন,স্থানীয় সরকার , পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী ড. মঈন খান বলেন, সাংবাদিকতা একটা কঠিন কাজ। আপনারা জানেন রাজনীতিবিদদের কাজ কঠিন। কিন্তু আমি মাঝে মাঝে মনে করি সাংবাদিকতার যে দায়িত্ব, সেটা পালন করা রাজনীতিবিদদের কাজের চেয়েও কঠিন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান সাংবাদিকদের রাষ্ট্রের ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাদেরকে ‘দ্য ফোর্থ এস্টেট’ বলা হয়, অর্থাৎ রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হচ্ছে সাংবাদিকরা। সাংবাদিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কাজেই আপনারা কত গুরুত্বপূর্ণ, সেটা আপনারা নিজেরাই আশা করি উপলব্ধি করবেন। ডিআরইউর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, অনেক সাংবাদিক ও সাংবাদিকদের অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সম্ভবত ডিআরইউ এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যা যতদূর সম্ভব তাদের সীমানার মধ্যে থেকে কাজ করে। সেই জন্য আমি ডিআরইউ’র প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করছি। ড. মঈন খান বলেন, ডিআরইউ দীর্ঘদিন ধরে তাদের যে চরিত্র বজায় রেখেছে, তা অব্যাহত রাখলে বাংলাদেশের মানুষ আরো শ্রদ্ধা জানাবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম ও বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং সঞ্চলনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।

