সচিবালয়ে নবনির্মিত কেবিনেট ভবনে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। রোববার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে নবনির্মিত ১নং ভবনের নবম তলায় দুপুর পৌনে দুইটায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরফলে পুরো ভবনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নবম তলাসহ, প্রত্যেকটি তলায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছোটাছুটি করতে থাকেন।ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রাথমিক ধারণা মতে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, সচিবালয়ের নবনির্মিত ১ নম্বর ভবনের ৯ম তলায় রোববার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হঠাৎ আগুন লাগার পর মুহূর্তেই ধোঁয়ায় ভবনের বিভিন্ন তলা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সবাই দ্রুত ভবন ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেন। ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালেহ উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তিনি বলেন, ভবনের ২০ তলা অংশের ১০ম তলায় অ্যাডজাস্ট ফ্যানের বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকেই আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।অগ্নিকাণ্ডের সার্বিক দিক তদন্ত করা হবে জানিয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম বলেন, ভবনটির বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি আছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হবে।ঘটনার পর ভবনজুড়ে বারবার ফায়ার হুইসেল বাজতে থাকে, যা আতঙ্ক আরও বাড়ায়। ধোঁয়ায় পরিবেশ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় অনেকে দ্রুত নিচে নেমে আসেন।রাফিউল ইসলাম নামে এক কর্মকর্তা বলেন, “হঠাৎ ফায়ার হুইসেল বাজতে শুরু করে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ১০ তলা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখি। সঙ্গে সঙ্গে নিচে নেমে আসি।আরেক কর্মচারী জানান, “প্রথমে মনে হয়েছিল সিগারেটের ধোঁয়া। পরে দেখি বড় আকারে ধোঁয়া উঠছে। সবাই দ্রুত ভবন থেকে বের হয়ে আসে। এখনও নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছে না কী হয়েছে।ঘটনার সময় ভবনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অবস্থিত ছিল। কর্মচারীরা মাঠে নেমে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেন।উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

