রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকার কাঁচাবাজার ও পাখির দোকানে অভিযান চালিয়ে অর্ধশত বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট, ঢাকা। এসব দোকানে প্রাণীগুলোতে অবৈধ উপায়ে ও বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল।উদ্ধার প্রাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩টি পাহাড়ি ময়না, ২টি ঝুঁটি শালিক, ২টি গাং শালিক, ২টি তিলা ঘুঘু, ১৪টি শালিক, ২টি হিরামন তোতা, ২৩টি টিয়া, ১টি বাজপাখি ও ১টি কড়ি কাইট্টা।বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকালে এ অভিযান শুরু হয়। বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানার নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি অভিজ্ঞ দল এতে অংশ নেন। এছাড়া অভিযানে সহযোগিতা করে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করা সংগঠন ‘সোয়ান’।অভিযানে উদ্ধার অধিকাংশ প্রাণীকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরে নিরাপদ ও উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। তবে অসুস্থ প্রাণীদের আপাতত অফিসে নিরাপদভাবে রাখা হয়েছে এবং পরে তাদেরকেও মুক্ত প্রকৃতিতে ছেড়ে দেয়া হবে।বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী, দেশীয় যেকোনো বন্যপ্রাণী সংগ্রহ, লালন-পালন, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন আইনত নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে পাখিবাজারে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানার নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি অভিজ্ঞ দল মিরপুর-১ এর একাধিক দোকান ও স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সহযোগিতা করে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিবেদিত সংগঠন ‘সোয়ান’।বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী, দেশীয় যেকোনো বন্যপ্রাণী সংগ্রহ, লালন-পালন, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহণ আইনত নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে পাখি বাজারে এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

