ঢাকা জেলার সাভারে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে অন্তত ১৬ জন নির্মাণশ্রমিক আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে সাভারের আশুলিয়ার গনকবাড়িতে অবস্থিত গবেষণা কেন্দ্রের ১২ তলা ভবনটির নির্মাণাধীন ছাদ ধসে পড়ে।এ ঘটনায় আহত শ্রমিকদের উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু করেছ ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিস। ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তারা। ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জহিরুল ইসলাম জানান, বিকালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের একটি ভবনের ১২ তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছিল। এ সময় ছাদের আংশিক ঢালাই শেষ হতে না হতেই ধসে পড়ে। ১২ তলা ভবনের ১২ ও ১১ তলা ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ১৬ জন শ্রমিক আহত হলে তাদের উদ্ধার করে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভবনটির ইঞ্জিনিয়ার, ঠিকাদার ও শ্রমিকেরা অনেকে পালিয়ে গেছেন। তাই ধসে যাওয়া অংশে কেউ আটকে আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে পারছি না। আমরা এখানে হেড কাউন্টিং করছি। পরে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারবো। তিনি আরও বলেন, বাইরের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণের কাজ করছিল। তারা ১২ তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাদের ঢালাইয়ের সেন্টারিংয়ে কোনো ভুল ছিল। শ্রমিকরা জানান, বিকালে আচমকা ভাবে এ ঘটনা ঘটে। তবে কেউ নিখোঁজ নেই। সবাইকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।সাভারে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি ইনচার্জ শফিকুল আলম বলেন, বর্তমানে ভবনটির কাজ বন্ধ রয়েছে। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক সদরুজ জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে রাশেদুল নামের এক নির্মাণশ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে বাকিদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক দেবাশীষ পাল রাতে যুগান্তরকে বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল ইনস্টিটিউটের একটি প্রকল্পের আওতায় ভবনটি নির্মাণ হচ্ছে। ওই ভবনের ছাদ ধসের বিষয়টি আমি শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আহতদের খোঁজ-খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি। এ বিষয়ে পরমাণু শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের সিকিউরিটি ইনচার্জ শফিকুল আলম রাত সাড়ে ৮টার দিকে বলেন, ‘বর্তমানে ভবনটির কাজ বন্ধ রয়েছে। এটি আসলে ক্যান্সার হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবন। আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি আহত যারা হাসপাতালে গিয়েছিলেন
সবাইকেই রিলিজ দেওয়া হয়েছে । ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে ভবনটি আনসার সদস্যরা ঘিরে রেখেছেন । আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাদরুজ জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আহতদের কেপিজে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে রাশেদুল নামের এক নির্মাণ শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক দেবাশীষ পাল বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল ইনিস্টিটিউটের একটি প্রকল্পের আওতায় ওই ভবনটি নির্মাণ হচ্ছে। ছাদ ধসের বিষয়টি আমি শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

