ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার ইউনিক এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে যেয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন সাংবাদিক দাউদুল ইসলাম নয়ন। শুক্রবার দুপুর ১২ টায় এ ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। সাংবাদিক দাউদুল ইসলাম নয়ন দৈনিক দেশেরপত্রের স্টাফ রিপোর্টার ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের স্থায়ী নির্বাহী সদস্য। এজাহার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তি ফোন করে ইউনিক খন্দকার মসজিদ সংলগ্ন গোপালগঞ্জ ফার্নিচারের সামনে এক শালিশ দরবার হচ্ছে বলে জানান।। গোলযোগ হবার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে তিনি সাংবাদিক নয়নকে ঘটনাস্থলে আসার জন্য অনুরোধ করেন। কাছাকাছি অবস্থানে থাকায় সোয়া ১২টার মধ্যে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সাংবাদিক নয়ন। উপস্থিত কর্তা ব্যক্তি বর্গের সাথে কথা বলে ঘটনার ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহকালে গোপালগঞ্জ ফার্নিচারের স্বত্ত্বাধিকারী আ. মান্নানের ছেলে মানিক একদল সন্ত্রাসী নিয়ে হাজির হয়ে দরবারে অতর্কিত হামলা চালায়। নয়ন তাদের নিবৃত করতে গিয়েও ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসী দলের মো. সুজনসহ অন্যান্য সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক নয়নের উপর হামলা চালায়। এরপর প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে স্থান ত্যাগ করতে বলে। আহত সাংবাদিক দাউদুল হক নয়ন বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছি। আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামালসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,এছাড়া তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খান লিটন। আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের
সভাপতি সাইফুল ইসলাম হেলাল শেখ,সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ ফরিদ আহম্মেদ চিশতী,সাধারন সম্পাদক মোঃ খায়রুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক ইমু,কোএম রিজভী,মোঃ শহিদুল ইসলাম,নাজমুর,সবুজ,সোহেল রানা,মোকাম্মেল,সাগর,পলাশ প্রমুখ। এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, এইটা একটা নেক্কার জনক ঘটনা এ ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবী জানাই। এছাড়া নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, যেন ভবিষ্যতে এরকম নেক্কার জনক ঘটনা ঘটানোর কেউ সাহস না পায় সে বিষয়ে কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মফিজুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।