দীর্ঘ ১৬ বছর পর কাল বাগেরহাট জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে । বুধবার (২৫ জানুয়ারী) দুপুর আড়াইটায় বাগেরহাট শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বিগত ১৬ বছর ধরে চলা বাগেরহাট জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক থেকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হবে। সম্মেলনে লক্ষাধিক লোকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছে আয়োজকরা।
বাগেরহাটে যুবলীগের সম্মেলনকে ঘিরে জেলাজুড়ে ক্ষমতাসীন দলের যুবসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। পদপ্রত্যাশীদের বর্ণিল প্রচার-প্রচারণা, ব্যানার-প্যানা, বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে সড়ক ও সম্মেলন স্থল। জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে ইতিমধ্যেই ৯ জন কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। কেউ কেউ পদ পেতে ছুটছেন নেতাদের দ্বারে দ্বারে।
সম্মেলনে উদ্বোধন করবেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাগেরহাট- ১ আসনের এমপি শেখ হেলাল উদ্দিন। প্রধান বক্তা থাকবেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।
বাগেরহাট জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সরদার নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আওয়ামী লীগের দুইজন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, বাগেরহাট- ২ আসনের এমপি শেখ তন্ময়, বন পরিবেশ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি মো. আমিরুল আলম মিলন, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সোহেল উদ্দিন, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এমপি, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকু, সাধারণ সম্পাদক ভূইয়া হেমায়েত উদ্দিনসহ যুবলীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নের্তৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।
কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল জানান, বাগেরহাট জেলা যুবলীগের সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে ৯ জন কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। এটি চূড়ান্ত নয়, সম্মেলনে দ্বিতীয়ার্ধে কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য পদে প্রার্থী হবার সুযোগ রয়েছে। সম্মেলনে নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা হবে। পরে এক মাসের মধ্যে ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠিত হবে।
বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের রামপাল থানা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৯ নেতার জামিনের আবেদন না নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাটের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ওসমান গনি রামপাল থানার নাশকতা মামলার আসামী বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের এই ৯ নেতার জামিনের আবেদন না নামঞ্জুর করেন।
জামিনের আবেদন না নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো বিএনপি ও গোরম্ভা ইউনিয়ন বিএনপির হলেন, রামপাল থানা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোস্তফা কামাল হালিম পাটোয়ারী, দপ্তর সম্পাদক কাজী জাহিদুল ইসলাম, গোরম্ভা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মজিবর রহমান জোয়াদ্দার, উজলকূড় ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, সাবেক সহ সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বাবলা, গোরম্ভা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম কুটি, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আলমগীর করিব বাচ্চু, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুর রহমান পিয়াল ও উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তরিকুল ইসলাম শোভন।
বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম এঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সরকার পতন আন্দোলন বানচাল করতে গত ৭ ডিসেম্বর রামপাল থানা পুলিশ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের এই ৯ নেতার নামে নাশকতার সাজানো একটি মামলায় দায়ের করে। এই ৯ নেতা ঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাটের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিচারক তাদের বাবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।