নিষ্পত্তি করেছেন মর্মে আপনাদেরকে বলেছেন। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ/উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল করতে বলে ছিলেন, না অবশিষ্ট জায়গা প্রতিষ্ঠানের সুবিধার্থে বিক্রয়/দান করতে বলেছিলেন। আসলে সব তথ্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে খাটো করে দেখা তাদের একটি স্বভাব। সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
অধ্যক্ষ মোঃ আবু তৈয়ব ছালাহউদ্দিন সাংবাদিকদেও বলেন প্রতিষ্ঠানটি সবার জ্ঞাতসারে ২০০১ ইং সালে স্থাপিত হয়ে দীর্ঘ ২১/২২ বছর ধরে পরিচালিত এবং সরকার কর্তৃক প্রণিত নবায়ন ফি, খাজনা-খারিজ, বিদ্যুৎবিলসহ অন্যান্য যাবতীয় ফি হালনাগাদ পর্যন্ত পরিশোধিত হয়েও কেন প্রতিষ্ঠানের নামে নামীয় চৌহদ্দিকৃত অংশে এবং স্থানীয় এমপি মহোদয়ের অনুকম্পা, ডিওপত্র ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রাপ্ত সরকারী অবকাঠামো নির্মাণ করা যাবেনা, কেনইবা প্রতিষ্ঠানের সামনের অংশে অবস্থিত খেলার মাঠ রক্ষায় অপ-দখলকারীদের বাঁধা প্রদান করা যাবেনা এর কারণসহ সুষ্ঠ বিচার মহামান্য সরকারের তথা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে আবেদন জানাচ্ছি।
আসলে সরষের মধ্যে ভুত, মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাংবাদিক মহলকে বিভ্রান্ত করছেন, জাতীকে বিভ্রান্ত করছেন, স্থানীয় প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করছেন এবং স্থানীয় এমপি মহোদয়কেও বিভ্রান্ত করছেন। এটা সম্পূর্ণ সরকারের ব্যাপার। মহমান্য কোর্ট যা রায় দিবেন আমরা মাথা পেতে নেব। তারা কোন এক কুচক্রি মহলের চক্রান্তে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য পাঁয়তারা করছেন। এই জমির মালিক আমি না বা আমার পরিবারও না। প্রতিষ্ঠানের জায়গাটি বর্তমানে সরকারের। আমি প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষণা-বেক্ষণের দায়িত্বে আছি মাত্র। আমি সরকারের পক্ষে কাজ করছি। মোহাম্মদ আলীকাদের নেওয়াজ গং এর জায়গাটি প্রতিষ্ঠানের পশ্চিমাংশে বিদ্যমান আছে। তিনি যে কোন সময় নিতে পারে। তাতে আমার কিংবা প্রতিষ্ঠানের আপত্তি থাকবে না। তারা কেন প্রতিনিয়ত প্রতিষ্ঠানে এসে প্রতিষ্ঠানের পূর্বে নির্মিত চৌহদ্দিকৃত অবকাঠামোতে জবর দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বা কেনই প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারী নতুন স্থাপনা তৈরীতে বাঁধা প্রয়োগসহ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিষেধ করছেন? এতে প্রতিয়মান হয় যে, মোহাম্মদ আলীকাদের নেওয়াজ গং সহ তার জামাতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম-প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ফুলবাড়ী পৌরসভা, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর। প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্বক কাজে লিপ্ত আছেন। সরকারী বরাদ্দকৃত ও অর্থায়নে ৪ তলা ভবন নির্মাণে বাধা সৃষ্টিকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন শেষে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দুইটি প্রতিনিধি দল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, সচীব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, মহাপরিচালক, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ স্থানীয় পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার, পুলিশ সুপার, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপেিজলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ফুলবাড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান করেন। জাতীয় দৈনিক প্রিন্ট,অনলাইন পত্রিকা ও স্থানীয় দৈনিক প্রিন্ট-অনলাইন পত্রিকা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের কাছে ‘ফুলবাড়ী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম ইন্সটিটিউট’-কে ন্যায়সঙ্গত ভাবে রক্ষার জন্য সহযোগিতায় কামনা করেন ।