ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় উত্তর গাজিরচট ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি’র সদস্য পল্লীচিকিৎসকদের নিয়ে আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ঔষধ ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে গঠিত কল্যাণ সমিতি’র উদ্যোগে ঔষধের সঠিক ব্যবহার,ডেঙ্গুর মোকাবেলায় করণীয়,ঔষধ ব্যবসায়ীদের সামাজিক কর্মকান্ডে সার্বিক ভূমিকায় পালন বিষয়ক নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার আশুলিয়া বাইপাইল সোহেল স্কয়ার হাসপাতালের সভা কক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উত্তর গাজিরচট ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি’র উপদেষ্টা ফিউচার মেডিকেল এন্ড ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউট এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সাংবাদিক এবিএম জাহাঙ্গীর আলম স্বপন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোহেল স্কয়ার হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডাঃ মো: সোহেল রানা। উত্তর গাজিরচট ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি’র আহ্বায়ক মুহান্মদ নাজমুল ইসলামের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া প্রেসক্লাবের কার্য-নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম রাজু,পল্লী চিকিৎসক মো: মোতালেব হোসেন,সোহেল স্কয়ার হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো: শাহিন আলম । এসময় প্রধান অতিথি সোহেল স্কয়ার হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাঃ মো: সোহেল রানা বলেন,আমার বাড়ি রংপুর আমি রংপুর সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়াশুনা করছি,আমি গ্রামের ছেলে গরীব মানুষদের কষ্ট বুঝি,আর তাছাড়া শহরে যারা বসবাস করেন তারা বেশির ভাগ মানুষ দরিদ্র,আমি আপনাদের সন্তান আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই,এখানে আমি ব্যবসা করতে আসেনি,আমি এসেছি মানুষ-কে সেবা দিতে। তিনি এসময় আরোও বলেন,পল্লী-চিকিৎসাদের পরিবারের সকল সদস্যদের ফ্রি চিকিৎসা দিবো এবং আমার এই হাসপাতালে দেশের সব চেয়ে ভালো ভালো ডাক্টার আছে এবং থাকবে। প্রধান অতিথি আরো বলেন সমাজে পল্লী চিকিৎসকদের অবদান অপরিসীম। সকল ক্ষেত্রেই তাদের অবদান রয়েছে। রাত ২টা হলেও তাদের পাওয়া যায়। করোনা কালীন তারা দিনরাত কাজ করেছে। সামাজিক সকল কাজেই পল্লীচিকিৎসার এগিয়ে আসে। উপদেষ্টা এবিএম জাহাঙ্গীর আলম স্বপন বলেন,বর্তমানে আশুলিয়া সহ সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বর প্রকট আকার ধারণ করেছে। ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশা সাধারণত সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্তের আধাঘন্টা পূর্ব পর্যন্ত সক্রিয় থাকে এবং মানুষকে
কামড়িয়ে থাকে। সাধারণ চিকিৎসাতেই ডেঙ্গু জ্বর সেরে যায়,তবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম এবং হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর মারাত্মক হতে পারে। বর্ষার সময় এ রোগের প্রকোপ বাড়তে থাকে। এডিস মশার বংশ বৃদ্ধি রোধের মাধ্যমে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করা যায়। বিশেষ অতিথি জাহাঙ্গীর আলম রাজু বলেন,আপনার ঘরে এবং আশেপাশে যে কোন জায়গায়,ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র,পরিত্যাক্ত টায়ার,প্লাস্টিকের ড্রাম,মাটির পাত্র,বালতি,টিনের কৌটা,ডাবের খোসা/নারিকেলের মালা, কন্টেইনার, মটকা, ব্যাটারি শেল ইত্যাদিতে যেন পানি জমে না থাকে সে বিষয়ে নিশ্চিত হোন।এছাড়া ব্যবহৃত পাত্রের গায়ে লেগে থাকা মশার ডিম অপসারণে পাত্রটি ঘষে ঘষে পরিস্কার করুন।অব্যবহৃত পানির পাত্র ধ্বংস অথবা উল্টে রাখতে হবে যাতে পানি না জমে। দিনে অথবা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন। ডেঙ্গু জ্বরে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন,সুস্থ থাকুন।উক্ত অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন উত্তর গাজিরচট ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক মো: বশির আহমেদ,পল্লী চিকিৎসক ও সাংবাদিক মো: রুবেল,মো: মামুন বিশ্বাস,মো: তাজুল ইসলাম,মো: আনোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ।