সারাদেশে এক শ্রেণীর অসাধু মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার জন্য কৃষকদের ঘাম ঝরানো ফসল বিকৃতি করে দেশীয় জাতের ধানের চাল থেকে মিনিকেট চাল তৈরী করছে। যে কারনে চালের পুস্টিমান নষ্ট হচ্ছে। মেশিনের সাহায্যে চাউল কাটা ও পালিশ বন্ধ করতে হবে। চালকাটা ও পালিশের ফলে প্রতি বছর দেশের শত শত টন চাল নস্ট হচ্ছে। যার ফলে দেশে খাদ্য ঘাটতির আশংকা রয়েছে। এ বিষয় খাদ্যমন্ত্রি কথা বললেও কর্তৃপক্ষ কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করছেন না। এই প্রতরণা বন্ধে অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। সেই সাথে সারা দেশে পতিত ও দখলকরা জমি উদ্ধার করে কৃষির আওতায় আনার দাবী জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন-এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, সাধারন সম্পাদক এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।